তাড়াশে মেয়র পদে আ.লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী শামসুল মির্জার ব্যাপক গণসংযোগ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে নবগঠিত পৌরসভার নির্বাচনে মেযর পদে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী শামসুল ইসলাম মির্জা জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন। নিবার্চনকে কেন্দ্র করে তিনি ব্যাপক জনসংযোগ করছেন। এ দিকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী শামসুল ইসলাম মির্জার রয়েছে বন্যার্ঢ রাজনৈতিক পরিচিতি। তিনি তাড়াশ পৌর সদরের মরহুম আকবর আলী মির্জার বড়সন্তান।
তার বাবা একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন। এছাড়া তার বাবা তাড়াশ উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি, তাড়াশ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি, উপজেলা মার্কাস জামে মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও মসজিদ পরিচালনার কমিটির দীর্ঘদিন সভাপতি হিসেবে র্দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন।
দলীয় সুত্রে জানা যায়, শামসুল ইসলাম মির্জা তিনি ১৯৮৭-৮৯ সাল পর্যন্ত তাড়াশ উপজেলা যুবলীগের কাউন্সিল সম্পন্ন করার লক্ষে প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম আহবায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তাড়াশ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ২০০১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৬ সালে স্বৈরাচারী খালেদা জিয়ার ভোটারবিহীন নির্বাচন প্রতিহত করতে গিয়ে হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন।
২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এলে হামলা-মামলার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন ফেরারী হয়ে জীবন যাপন করেছেন। বর্তমানে তিনি তাড়াশ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের গভার্নিং বডির সদস্য,তাড়াশ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, উপজেলা মার্কাস জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর দীর্ঘদিন ধরে পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ শামসুল ইসলাম মির্জা জানান, মেয়র পদে আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হলে তাড়াশ পৌরসভার আপামর জনসাধারণের সার্বিক উন্নতিসহ শিক্ষিত বেকার সমাজের উন্নয়নের চেষ্টা করবো। পাশাপাশি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা এবং ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করবো।