শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ১১:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চট্টগ্রাম সন্দ্বীপে ঘর ভিটা জায়গা সংত্রুান্ত বিরোধ কে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ২ পোগলদিঘা ইউনিয়নে গণসংযোগ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন জামায়াত ইসলামী নেতা অ্যাডভোকেট মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক দুই দেশের জন্য ‘আশার আলো’: মির্জা ফখরুল স্বেচ্ছায় করে রক্তদান, বাংলা মায়ের শ্রেষ্ঠ সন্তান বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামালের পিতার মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও মোনাজাত সন্দ্বীপ চলমান পরিস্থিতি নিয়ে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের সংবাদ সম্মেলন “মুরাদনগরে কিশোর গ্যাংয়ের উন্মাদনা: আইন-আদালতের অবহেলার মাঝে সাধারণ মানুষের আতঙ্ক” ভোলা চরফ্যাশন প্রতিপক্ষের হামলায় ১ জন নিহত ৬ জন আহত ময়মনসিংহের ক্লুলেস মামলার আসামী গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৪ সেই গোসল মোশারফ করিমের ঈদের দিনের সবচেয়ে বড় উপহার

শেখ পরশ-তাপসকে কাছে টেনে নিলেন আবেগাপ্লুত প্রধানমন্ত্রী

শাহ আলী জয়
প্রকাশিত হয়েছে : মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট, ২০২২

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তরের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঞ্চে অন্যদের সঙ্গে বসা ছিলেন তাঁর ফুফাতো ভাই শেখ ফজলুল হক মনির ছোট ছেলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। আর বড় ছেলে যুবলীগ সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ বসা ছিলেন সামনের সারিতে।

অন্যান্য সময়ের মতো মঙ্গলবারের (৩০ আগস্ট) এই শোক দিবসের অনুষ্ঠানে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের শোকাবহ দিনের কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বঙ্গবন্ধু কন্যা। নিজের বাবা, মা, ছোট্ট ভাই রাসেলসহ পরিবারের যারা সেদিন ঘাতকের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের কথা বলতে গিয়ে এক পর্যায়ে চোখ ভিজে আসে সরকারপ্রধানের।

pm2

ইতিহাসের নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডে পরশ-তাপসের বাবা শেখ ফজলুল হক মনি, তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনিও মারা যান। এসময় পাশে থাকা শেখ পরশ ও শেখ তাপসও নিজেদের ধরে রাখতে পারেননি। দুই ভাই জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। সেই দৃশ্য দেখে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে তাদের দুই ভাইকে কাছে ডেকে নেন ফুফু শেখ হাসিনা।

প্রথমে কাছে গিয়ে ফুফুর পায়ে হাত দিয়ে সালাম করেন যুবলীগ সভাপতি পরশ। পরে তার পাশে গিয়ে দাঁড়ান ঢাকা দক্ষিণের মেয়র তাপস।

এসময় শেখ হাসিনা বলেন, আজকে ওরা বড় হয়ে গেছে। পাঁচ বছরের পরশ, তিন বছরে তাপস। বাবা মায়ের লাশ গুলি খেয়ে পড়ে আছে। দুটো বাচ্চা পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে ডাকতেছে- বাবা ওঠো, মা ওঠো। কিন্তু তারা সাড়া দেয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও খবর দেখুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর