মোদি বিরোধী আন্দোলনে শহীদ, আহত ও নির্যাতিত উলামাদের সম্মানে বিএনপির ইফতার মাহফিল

২০২১ সালে মোদি বিরোধী আন্দোলনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শহীদ, আহত, নির্যাতিত উলামায়ে কেরামের সম্মানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমান এর পক্ষ থেকে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানটি বিকাল ৩টায় জেলা পরিষদ মিলনায়তনে শুরু হলে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া – ৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের মাটি ও মানুষের নেতা ইন্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল,
হাফিজুর রহমান কচি মোল্লা,ভিপি জাহিরুল হক, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম ফারুকী, মাওলানা গাজী ইয়াকুব উসমানী, মাওলানা গাজী নিয়াজুল করীম, মাওলানা ইসহাক আল হুসাইন সুলতানপুরী,মাওলানা মুঈনুল ইসলাম খন্দকার,এড. আনিসুর রহমান মঞ্জু,মাওলানা বোরহান উদ্দিন আল মতিন,মুফতি নূরুল্লাহ আল মানসূর, মাওলানা শেখ আরিফ বিল্লাহ আজিজি,নুরুল আমীন আরিফ,গাজী দেলোয়ার হোসাইন বেলালী,মাওলানা তারেক জামীল, মাওলানা জসিম উদ্দিন,মাওলানা আব্দুল্লাহ কাফী ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ সহ আহত-নিহতদের পরিবার প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত বক্তা ও নির্যাতিত ব্যক্তিরা বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা কর্তৃক শুধু আমরাই যে নির্যাতনের স্বীকার হয়েছি তা নয়। বরং আজকের প্রধান অতিথি ইন্জিনিয়ার শ্যামল ভাইও নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন।এমনকি তাঁকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তাঁর বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিলো। তাঁরা আরও বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামিয়া ইউনুসিয়ায় চোখ তুলে তাকাবে এই সাহস কারো হয়নাই। কিন্তু মোকতাদির একমাত্র ব্যক্তি যে শুধুমাত্র চোখ তুলেই তাকায়নি বরং এর ভেতরে পুলিশ আর ছাত্রলীগ ঢুকিয়ে ছাদ থেকে লাথি দিয়ে ফেলে ছাত্র পর্যন্ত হত্যা করেছে। এবং এটাকে বন্ধ করে দিয়ে ক্যাম্প বানাবার কথাও বলেছিলো। তাঁরা আরও বলেন, আমরা আশা করি শ্যামল ভাই আমাদের সকল মামলাগুলোর ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ নিবেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইন্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, স্বৈরাচার হাসিনার পতন ২০০৮ সালেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাটিতে হয়ে গিয়েছিলো। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হাসিনা কর্তৃক সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত আলেম-উলামারা। তাদের অবদান ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে অনেক। যা অস্বীকার করার মতো নয়।
পরিশেষে মোদি বিরুধী আন্দোলনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ১৬ শহীদ পরিবারের হাতে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার তুলে দেন ইঞ্জিঃখালেদ মাহবুব শ্যামল