শিরোনাম
১০ টি ইস্তেগফার ও দুআ সমূহ!

১। দুনিয়া আখিরাতের কল্যানের জন্য দোয়া-
.
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
.
উচ্চারনঃ “রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরতি হাসানাতাও ওয়া কিনা আজাবান্নার”
.
অর্থ: ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ইহকালে কল্যাণ দান কর এবং পরকালেও কল্যাণ দান কর। আর আমাদেরকে আগুনের-যন্ত্রণা থেকে রক্ষা কর।’(সুরা বাকারা- আয়াত ২০১)
.
কাতাদা (রাঃ) আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন কোন দোয়া রাসুল (সাঃ) বেশি পড়তেন তখন আনাস (রাঃ) উপরে দোয়াটির কথা বলেছিলেন (মুসলিম)
==========
.
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
.
উচ্চারনঃ “রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরতি হাসানাতাও ওয়া কিনা আজাবান্নার”
.
অর্থ: ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ইহকালে কল্যাণ দান কর এবং পরকালেও কল্যাণ দান কর। আর আমাদেরকে আগুনের-যন্ত্রণা থেকে রক্ষা কর।’(সুরা বাকারা- আয়াত ২০১)
.
কাতাদা (রাঃ) আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন কোন দোয়া রাসুল (সাঃ) বেশি পড়তেন তখন আনাস (রাঃ) উপরে দোয়াটির কথা বলেছিলেন (মুসলিম)
==========
২। হিদায়াত পাওয়ার পর অন্তরের বক্রতা হতে মুক্তি চাওয়া-
.
رَبَّنَا لاَ تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ
.
উচ্চারনঃ রব্বানা-লা-তুযিগ্ কুলূবানা- বা’দা ইয্ হাদাইতানা-ওয়া হাবলানা-মিল্ লাদুন্কা রহমাহ , ইন্নাকা আন্তাল্ ওয়াহ্হা-ব্
.
অর্থঃ হে আমাদের রব, আপনি হিদায়াত দেয়ার পর আমাদের অন্তরসমূহ বক্র করবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন। (সুরা আল ইমরানঃ আয়াত ৮)
_
অনেকেই হিদায়াত পাওয়ার পরেও আবার আগের চেহারায় ফিরে যাই/যেতে থাকি। কেউ অল্প মাত্রায়, কেউ বেশি। তারা এই দুয়াটা নিয়মিত পড়ব অবশ্যই।
=========
.
رَبَّنَا لاَ تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ
.
উচ্চারনঃ রব্বানা-লা-তুযিগ্ কুলূবানা- বা’দা ইয্ হাদাইতানা-ওয়া হাবলানা-মিল্ লাদুন্কা রহমাহ , ইন্নাকা আন্তাল্ ওয়াহ্হা-ব্
.
অর্থঃ হে আমাদের রব, আপনি হিদায়াত দেয়ার পর আমাদের অন্তরসমূহ বক্র করবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন। (সুরা আল ইমরানঃ আয়াত ৮)
_
অনেকেই হিদায়াত পাওয়ার পরেও আবার আগের চেহারায় ফিরে যাই/যেতে থাকি। কেউ অল্প মাত্রায়, কেউ বেশি। তারা এই দুয়াটা নিয়মিত পড়ব অবশ্যই।
=========
৩। খুব ছোট্ট_কিন্তু_অনেক_গুরুত্বপূর্ণ_একটা_দুআঃ
.
ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻰ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺍﻟْﻌَﺎﻓِﻴَﺔَ
.
“আল্লাহুম্মা ইন্নি আস আলুকাল- ‘আ-ফিয়াহ”
.
আল-আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু), রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চাচা, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলেন আর জিজ্ঞাসা করলেন —
.
ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻰ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺍﻟْﻌَﺎﻓِﻴَﺔَ
.
“আল্লাহুম্মা ইন্নি আস আলুকাল- ‘আ-ফিয়াহ”
.
আল-আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু), রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চাচা, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলেন আর জিজ্ঞাসা করলেন —
“ইয়া রাসূলুল্লাহ, আমাকে একটা দু’আ শিখিয়ে দিন”
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন —
“হে আমার চাচাজান, বলুন:
আল্লাহুম্মা ইন্নি আস আলুকাল-‘আ-ফিয়াজ”
(হে আল্লাহ, আমি তোমার কাছে ‘আফিয়াহ চাচ্ছি”)
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন —
“হে আমার চাচাজান, বলুন:
আল্লাহুম্মা ইন্নি আস আলুকাল-‘আ-ফিয়াজ”
(হে আল্লাহ, আমি তোমার কাছে ‘আফিয়াহ চাচ্ছি”)
আফিয়াহ কি?
যখন আমরা মহান আল্লাহ্’র কাছে আফিয়া চাই তখন তা বুঝায় —
যখন আমরা মহান আল্লাহ্’র কাছে আফিয়া চাই তখন তা বুঝায় —





‘আফিয়াহ অর্থ “ইয়া আল্লাহ, আমাকে সকল দু:খ, গ্লানি ও ভোগান্তি থেকে রক্ষা কর”
দুনিয়া এবং আখিরাতে উভয় যায়গায়ই।
আল-আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) খানিক চিন্তা করলেন এবং দিন কয়েক পরে ফিরে আসলেন এবং বললেন —
“ইয়া রাসূলুল্লাহ, এতো খুবই ছোট্ট দু’আ, আমাকে বড় কিছু শিক্ষা দিন”
তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন —””ও আমার প্রাণপ্রিয় চাচা, আল্লাহ্’র কাছে আফ্যিয়া কামনা করুন, আল্লাহ’র কসম এর চাইতে উত্তম কোন জিনিস আপনাকে দেওয়া হবে না”
এটা খুবই ছোট্ট দু’আ, যার মাধ্যমে আমরা যা বুঝাই —
“ওহ! আল্লাহ, আমি পরিত্রাণ চাই মর্মপীড়া, বিষাদ, কষ্ট, ক্ষতি থেকে; আমাকে পরীক্ষা করো না”
“ইয়া রাসূলুল্লাহ, এতো খুবই ছোট্ট দু’আ, আমাকে বড় কিছু শিক্ষা দিন”
তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন —””ও আমার প্রাণপ্রিয় চাচা, আল্লাহ্’র কাছে আফ্যিয়া কামনা করুন, আল্লাহ’র কসম এর চাইতে উত্তম কোন জিনিস আপনাকে দেওয়া হবে না”
এটা খুবই ছোট্ট দু’আ, যার মাধ্যমে আমরা যা বুঝাই —
“ওহ! আল্লাহ, আমি পরিত্রাণ চাই মর্মপীড়া, বিষাদ, কষ্ট, ক্ষতি থেকে; আমাকে পরীক্ষা করো না”
রাব্বে ক্বারীমের কাছে এরকম সকল কিছুই আমরা চেয়ে থাকি এই বলে:”আল্লাহুম্মা ইন্নি আস’আলুকাল ‘আফিয়াহ”
[রিয়াদ্বুস স্বলেহীন, সুনান আত-তিরমিযী]
আত-তিরমিযী, খন্ড: ০৬, অধ্যায়:৪৫,
দু’আ অধ্যায়, হাদিস নং: ৩৫১৪।
দু’আ অধ্যায়, হাদিস নং: ৩৫১৪।
===========
৪।
.
رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ
.
[রব্বানা- যলামনা- আনফুসানা- ওয়া ইল্লাম তাগফিরলানা- ওয়া তারহামনা- লানা কু-নান্না মিনাল খসিরী-ন]
.
হে আমাদের পালনকর্তা আমরা নিজেদের প্রতি জুলম করেছি। যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি অনুগ্রহ না করেন, তবে আমরা অবশ্যই অবশ্যই ধ্বংস হয়ে যাব।
(সুরা আরাফঃ ২৩)
========
.
رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ
.
[রব্বানা- যলামনা- আনফুসানা- ওয়া ইল্লাম তাগফিরলানা- ওয়া তারহামনা- লানা কু-নান্না মিনাল খসিরী-ন]
.
হে আমাদের পালনকর্তা আমরা নিজেদের প্রতি জুলম করেছি। যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি অনুগ্রহ না করেন, তবে আমরা অবশ্যই অবশ্যই ধ্বংস হয়ে যাব।
(সুরা আরাফঃ ২৩)
========
৫।
.
رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَتَوَفَّنَا مُسْلِمِينَ
.
[রব্বানা- আফরিগ ‘আলাইনা সবরাও ওয়া তাওয়াফফানা মুসলিমী-ন]
হে আমাদের পরওয়ারদেগার আমাদের জন্য ধৈর্য্যের দ্বার খুলে দাও এবং আমাদেরকে মুসলমান হিসাবে মৃত্যু দান কর- (সুরা আরাফঃ ১২৬)
.
رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَتَوَفَّنَا مُسْلِمِينَ
.
[রব্বানা- আফরিগ ‘আলাইনা সবরাও ওয়া তাওয়াফফানা মুসলিমী-ন]
হে আমাদের পরওয়ারদেগার আমাদের জন্য ধৈর্য্যের দ্বার খুলে দাও এবং আমাদেরকে মুসলমান হিসাবে মৃত্যু দান কর- (সুরা আরাফঃ ১২৬)
========
৬।
رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا
.
[রব্বানা লা~ তুওয়াখিজনা ইন নাসি-না আও আখ ত্ব-না]
.
হে আমাদের পালনকর্তা, যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি, তবে আমাদেরকে অপরাধী করো না
(সুরা বাকারাঃ ২৮৬)
========
رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا
.
[রব্বানা লা~ তুওয়াখিজনা ইন নাসি-না আও আখ ত্ব-না]
.
হে আমাদের পালনকর্তা, যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি, তবে আমাদেরকে অপরাধী করো না
(সুরা বাকারাঃ ২৮৬)
========
৭।
رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا
[রব্বানা ওয়ালা তাহমিল ‘আলাইনা ইসরান কামা- হামালতাহু ‘আলাল্লাযীনা মিন ক্ববলিনা]
হে আমাদের পালনকর্তা! এবং আমাদের উপর এমন দায়িত্ব অর্পণ করো না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর অর্পণ করেছ।
(সুরা বাকারাঃ ২৮৬)
======
[রব্বানা ওয়ালা তাহমিল ‘আলাইনা ইসরান কামা- হামালতাহু ‘আলাল্লাযীনা মিন ক্ববলিনা]
হে আমাদের পালনকর্তা! এবং আমাদের উপর এমন দায়িত্ব অর্পণ করো না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর অর্পণ করেছ।
(সুরা বাকারাঃ ২৮৬)
======
৮।
رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا أَنتَ مَوْلَانَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ
.
[রব্বানা ওয়া লা~ তু হাম্মিলনা মা লা~ ত্ব কতালানা- বিহ, ওয়া ‘আফু আন্না, ওয়াগফিরলানা, ওয়ারহাম’না আনতা-মাওলানা ফা’নসুরনা ‘আলাল কওমিল কা-ফিরী-ন]
.
হে আমাদের রব! এবং আমাদের দ্বারা ঐ বোঝা বহন করিও না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নাই। আমাদের পাপ মোচন কর। আমাদেরকে ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি দয়া কর। তুমিই আমাদের প্রভু। সুতরাং কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কে সাহায্যে কর।
(সুরা বাকারাঃ ২৮৬)
=======
رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا أَنتَ مَوْلَانَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ
.
[রব্বানা ওয়া লা~ তু হাম্মিলনা মা লা~ ত্ব কতালানা- বিহ, ওয়া ‘আফু আন্না, ওয়াগফিরলানা, ওয়ারহাম’না আনতা-মাওলানা ফা’নসুরনা ‘আলাল কওমিল কা-ফিরী-ন]
.
হে আমাদের রব! এবং আমাদের দ্বারা ঐ বোঝা বহন করিও না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নাই। আমাদের পাপ মোচন কর। আমাদেরকে ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি দয়া কর। তুমিই আমাদের প্রভু। সুতরাং কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কে সাহায্যে কর।
(সুরা বাকারাঃ ২৮৬)
=======
৯। সুন্দর মৃত্যু লাভের দুয়া:
.
اَللَّهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ حُسْنَ الْخَاتِمَةِ.
.
উচ্চারনঃ আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুসনাল খ-তিমাহ
.
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উত্তম মৃত্যু চাই।
=========
.
اَللَّهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ حُسْنَ الْخَاتِمَةِ.
.
উচ্চারনঃ আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুসনাল খ-তিমাহ
.
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উত্তম মৃত্যু চাই।
=========
১০। জীবিত বা মৃত পিতামাতার জন্য দোয়া-
.
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
.
উচ্চারণঃ রব্বীর হাম্হুমা-কামা-রব্বাইয়া-নী সগী-রা-
.
অর্থ :হে আমার রব, তাদের প্রতি দয়া করুন যেভাবে শৈশবে তারা আমাকে লালন-পালন করেছেন (সূরা আল-ইসরা- আয়াত ২৪)
.
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
.
উচ্চারণঃ রব্বীর হাম্হুমা-কামা-রব্বাইয়া-নী সগী-রা-
.
অর্থ :হে আমার রব, তাদের প্রতি দয়া করুন যেভাবে শৈশবে তারা আমাকে লালন-পালন করেছেন (সূরা আল-ইসরা- আয়াত ২৪)
আপনার মতামত লিখুন :
Leave a Reply
এ ধরনের আরও খবর দেখুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর