শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চট্টগ্রাম সন্দ্বীপে ঘর ভিটা জায়গা সংত্রুান্ত বিরোধ কে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ২ পোগলদিঘা ইউনিয়নে গণসংযোগ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন জামায়াত ইসলামী নেতা অ্যাডভোকেট মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক দুই দেশের জন্য ‘আশার আলো’: মির্জা ফখরুল স্বেচ্ছায় করে রক্তদান, বাংলা মায়ের শ্রেষ্ঠ সন্তান বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামালের পিতার মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও মোনাজাত সন্দ্বীপ চলমান পরিস্থিতি নিয়ে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের সংবাদ সম্মেলন “মুরাদনগরে কিশোর গ্যাংয়ের উন্মাদনা: আইন-আদালতের অবহেলার মাঝে সাধারণ মানুষের আতঙ্ক” ভোলা চরফ্যাশন প্রতিপক্ষের হামলায় ১ জন নিহত ৬ জন আহত ময়মনসিংহের ক্লুলেস মামলার আসামী গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৪ সেই গোসল মোশারফ করিমের ঈদের দিনের সবচেয়ে বড় উপহার

কম্বোডিয়ায় গ্রেনেড বিস্ফোরণে ২ শিশুর প্রাণহানি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
কম্বোডিয়ায় গ্রেনেড বিস্ফোরণে ২ শিশুর প্রাণহানি
কম্বোডিয়ায় গ্রেনেড বিস্ফোরণে ২ শিশুর প্রাণহানি। সংগৃহীত ছবি

কম্বোডিয়ায় গৃহযুদ্ধ চলাকালে মাটির নিচে পুঁতে রাখা গ্রেনেড বিস্ফোরণে দুই শিশু নিহত হয়েছে। প্রাণঘাতী অস্ত্রটি ওই শিশুদের বাড়ির কাছে বিষ্ফোরিত হয়। দেশটির এক কর্মকর্তা রবিবার এ খবর জানান। 

উত্তর-পশ্চিম সিয়েম রিপ প্রদেশের প্রত্যন্ত এক গ্রামে শনিবার ওই বিস্ফোরণ ঘটে।

বিংশ শতাব্দীর আশি ও নব্বইয়ের দশকে গ্রামটি ছিল কম্বোডিয়ার সরকারি সেনা ও খেমার রুজ যোদ্ধাদের যুদ্ধক্ষেত্র।

দুই বছর বয়সী ওই শিশুদের একজন ছেলে ও একজন মেয়ে। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই-বোন। তদন্ত প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে কম্বোডিয়ান মাইন অ্যাকশন সেন্টারের (সিএমএসি) মহাপরিচালক হেং রতানা বলেছেন, দুই শিশু মাটিতে খেলছিল।মাটি খোঁড়ার সময় পুঁতে রাখা গ্রেনেডটি বিস্ফোরিত হয়। তিনি বলেন, এক শিশু ঘটনাস্থলে ও অপরজন হাসপাতালে মারা যায়।

হেং রতানা আরো বলেন, ‘যুদ্ধ সম্পূর্ণরূপে শেষ হয়ে গেছে এবং ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে শান্তি বিরাজ করছে। কিন্তু স্থলমাইন ও যুদ্ধের অবশিষ্টাংশের (গোলাবারুদ) কারণে এখনো কম্বোডিয়ার মানুষের রক্ত ঝরছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশটিতে বিংশ শতাব্দীর ষাটের দশকে শুরু হওয়া কয়েক দশকের যুদ্ধের পরিত্যক্ত গোলাবারুদ ও অস্ত্র এখনো মাটির নিচে রয়ে গেছে। দেশটিতে এখনো খনি ও অবিস্ফোরিত অস্ত্র থেকে মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। ১৯৭৯ সাল থেকে প্রায় ২০ হাজার মানুষ এ ধরণের বিষ্ফোরণে নিহত ও এর দ্বিগুণ আহত হয়েছে। গত মাসে একটি ধানক্ষেত থেকে কয়েক দশকের পুরনো একটি ট্যাংকবিধ্বংসী মাইন অপসারণের চেষ্টার সময় দুজন কর্মী নিহত হন এবং খামারে স্থলমাইন বিস্ফোরণে একজন গ্রামবাসী মারা যান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও খবর দেখুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর