বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সেই গোসল মোশারফ করিমের ঈদের দিনের সবচেয়ে বড় উপহার দুর্গাপুরে চার শহীদের পরিবারকে ঈদ উপহার দিলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভোলা চরফ্যাসনে আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নে ছেলের হাতে বাবা খুন মাধবপুর উলামা ত্বলাবা ঐক্য পরিষদের গরুর গোশত বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন  গাইবান্ধায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৫ আলীকদম ও লামা উপজেলার রিসোর্ট মালিকদের সাথে জরুরি মতবিনিময় সভা করেন আলীকদম সেনা জোন। কলমাকান্দায় শহীদ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার দিলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল রাজৈর থানা দালালমুক্তসহ মাদক নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করায় বিপাকে রাজৈর থানা অফিসার ইনচার্জ। গাইবান্ধা সদর উপজেলার ১১ নং গিদারী ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মো: ইখলাছুর রহমান পুটু। কসবায় ট্রাক্টরচাপায় মোটর সাইকেলআরোহী প্রবাস ফেরত যুবক নিহত

ফসলি জমি নষ্ট করে হাওরে সড়ক নির্মাণের প্রতিবাদ বাপার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত হয়েছে : বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫
ফসলি জমি নষ্ট করে হাওরে সড়ক নির্মাণের প্রতিবাদ বাপার
ফসলি জমি নষ্ট করে হাওরে সড়ক নির্মাণের প্রতিবাদ বাপার ।। সংগৃহীত ছবি

বুধবার (১৯ মার্চ) সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাপার সভাপতি অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর কবির এ প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ প্রকল্প সাংহাই হাওরে কৃষক ও ফসলি জমির সর্বনাশ করে হাওরের বুক চিরে সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। যা মূলত ফ্যাসিস্ট সরকারের সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের একান্ত ইচ্ছায় তার নিজ গ্রামে ‘ডুংরিয়ায়’ যাওয়ার জন্য বানানো হচ্ছে। অথচ তিনি গত ২০২৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘হাওর নদী বিল সমস্যা ও সমাধান’ বিষয়ক বাপার বিশেষ সম্মেলনের প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেছিলেন হাওরে এখন থেকে আর কোনো মাটির বাঁধ ও রাস্তা নির্মাণ করা হবে না।

১৮ মার্চ একটি দৈনিক পত্রিকার ই-পেপারে ‘হাওরের বুক চিরে হচ্ছে সড়ক, কৃষক-ফসলি জমির সর্বনাশ’ শীর্ষক একটি অনলাইন খবর প্রকাশিত হয়। 

জানা যায়, সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার সাংহাই হাওরে চার কিলোমিটার লম্বা রাস্তার কাজ চলছে। অথচ এটা পরীক্ষিত যে, সিলেট, সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জসহ হাওরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির একটি মূল কারণ বাঁধ বা সড়ক নির্মাণ। আমরা জানি বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে প্রায় ১২ হাজার কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে হাওরে, যা মূলত অত্র-এলাকার স্থায়ী বন্যা সৃষ্টির কারণ। ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯ এবং ২০২১ সালের আকস্মিক বন্যার ফলে আরও প্রমাণ হলো, কোনোভাবেই যত্রতত্র রাস্তা-বাঁধ নির্মাণ সঠিক সিদ্ধান্ত না। উপর্যুক্ত তথ্য থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে যে সম্প্রতিকালে বন্যার মাত্রা, তীব্রতা এবং স্থায়িত্বকাল বেড়ে গেছে। এর ফলে অকাল বন্যায় হাওরের জানমাল, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি এবং মাছের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে।

লাখো মানুষের জীবন-জীবিকার উৎস এই হাওরের বুক চিরে সড়ক নির্মাণের ফলে ওইসব এলাকার কৃষকের ফসল নষ্ট, ভূমিহীন ও স্থায়ী বন্যার মতো ভয়াবহ দুর্যোগের কবলে পড়বে হাওরের জনসাধারণ।

আমরা ‘হাওরের বুকে সড়ক, বাঁধ, সেতু নির্মাণ করে হাওরের কৃষক-ফসলি জমির সর্বনাশা প্রকল্পের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একইসঙ্গে এই আত্মঘাতী প্রকল্প অনতিবিলম্বে বাতিলের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতি জোরালো দাবি জানাচ্ছি।

বাংলারসংবাদ\


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও খবর দেখুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর